খোকা দিনে দিনে বেড়ে, মায়ের আঁচল ছেড়ে
মনের আঁচল ধরে।
ভ্রমে ভরা মন, ভরতে পারে না কোন ধন জন
অবুঝ মন, অতৃপ্ত সারাক্ষন, দৃষ্টি নিবদ্ধ শুধু বাহিরে।

খোকার সব ঘর, সুর আর গন্ধে ভরা তার
পুরো কৃত্রিমতার আঁধার।

সুরের সে ভুবনে হায়, পাখীর ডাক, বৃষ্টি বা বাতাসের শব্দ নাই।
সুর সেখানে বোমার বিস্ফোরণ, সব যন্ত্র দানবের আত্ম ক্রন্ধন।
আমের মুকুল বা বৃষ্টি ভেজা মাটির গন্ধ নয়
কৃত্তিম গন্ধে মায়ের মাথা ব্যথা হয়।

তায়তো তখন থেকে, খোকা রাখে মাকে
চিলেকোঠার ছোট্ট ঘরে, বাড়তি কোন খরচা না করে।
খোকার প্রকান্ড বাড়ীর ছাদ, বাকি সব কিছু বাদ
সেথায় মায়ের আবাস, উপরে উদার আকাশ।

মা আত্মা সম সবার, চিহ্ন সব খোকার নাভিতে আকা।
তাঁকে ঘিরেই বেচে থাকে সকল খোকা।
কিন্তু হায়! শেষে মায়ের হয় ঠাই
খোকার প্রশস্থ ঘরের জীর্ণ চিলেকোঠাই!

বেরোতে পারে না খোকা, ছিড়ে মনের বিচিত্র সব ধোঁকা।
এদিকে আত্মা মায়ের বেশে, কাউকে কিছু না বলে শেষে
টুপ করে হায়, সেযে চলে যায়, আপন নিবাসে।

সব গল্প শেষ, ছোট বড় নির্বিশেষ, সব যেন চোখের নিমেষ।
নিস্তেজ দেহ, নেই কোন মোহ, থাকে পড়ে, একটুও না নড়ে
মাটি নেয় তাকে ভালবেসে বুকে অবশেষে।

Category: Meaning of Life

Write a comment