শিশুকন্যা, স্বর্গঙ্গা উচ্ছলিত ভালবাসার বন্যা
সাক্ষাৎ দেবদূত যেন।

প্রশ্নটা তার অতিসার ক্ষুদ্র হেন;
বাবা তুমি যাচ্ছ কেন?
আমার চেয়ে তোমার কাছে আপন কেউ আছে কোন?

দাড়িয়ে গাড়ী আঙ্গিনায়, হাতে তো আর সময় নাই!
এ প্রশ্নের কি উত্তর হয়!

বিদায়ের কথা শত – সাবধান বাক্য কত, প্রার্থনা বন্দনা যত
সব কোলাহল সব কুজ্ঞন, সব ভূত ভবিষ্যৎ বর্তমান
স্তব্দ হল কানে ও মনে।
এ যন্ত্রনা চির অনির্বাণ, আর অজেয় সে টান
পেষন করিছে প্রতিক্ষনে প্রতিজনে।

কি করি এখন আমি, হে অন্তর্যামী!
ভেবে না পায়, আমি বড় অসহায়!
ভাবি সদাই, একি দায়! এ জ্বালা থামবে কখন,
দেহ থেকে কবে মুক্ত হবে এ জীবন!

আকাশে বাস তোমার, হে মহাকর
মাটির মানুষ আমি মাটির ঘর আমার।

জিজ্ঞাসা তোমার কাছে, জানিনা তোমার মনে কি আছে;
কেন কর এ নরাধমে হেলা, তোমার এ পরীক্ষা নেয়ার খেলা,
একটা উত্তরও যার নেই জানা।
প্রাণ দিলে যারে কেন দিলে এত জ্বালা তারে
পাথর বানাতে ছিল নাতো মানা।

সমগ্র বিশ্বের ঘরে ঘরে সবাইকে টানিছে এসব যাদুকরে
সব বাবাকে – মানুষ ও প্রাণীকে।

কিন্তু হায়! বাবারা বড় অসহায়
তারা যে সব জেলে, বাধা শক্ত শেকলে।
চাক বা না চাক, করুক না কেন যত হাক ডাক
জানে যেতে হবেই তারে ঐ পরপারে সব ব্যথা বুকে করে।

পৃথিবীর অবুঝ যাদুকর, অদম্য টান বিধাতার
অবুঝ অদম্যের টানে, এ অধম যাবে কোন খানে!
যেতে দিবে না তাকে, যেতেও চায় না সে হেতা থেকে
যদিও জানে তার, হবে হার, চলে যেতে হবে সবার।

Category: Meaning of Life

Write a comment