তুমি মহাস্রষ্টা সর্বদ্রষ্টা, আমি নগণ্য পথভ্রষ্ট তুচ্ছ সৃষ্ট
জানি শুধু দাও যা তুমি চাও, যত জ্বালা যন্ত্রনা কষ্ট।

আমি অতি অসহায়, বাচি তোমারই দয়াই
এ অধম অতি সাধারণ দাস মাত্র।
থাকতে এ দেহে প্রাণ, মানবো তোমার সব বিধান
সইবো নীরবে নিভৃতে, তাতে ভরে ভরূক অশ্রুতে মম নেত্র।

সে যন্ত্রণা প্রভু, যদি অসহনীয় হয় কভু, বলি কথা আকাশের সাথে
অগ্নিস্ফুলিঙ্গ চোখে যদি থাকে, সেত বিধাতা আমাতে
অন্যের কি আসে যায় তাতে!

দেখেছি ভেবে, যতটুকু তুমি নেবে, তা করবে যাচায়
কোন খাঁদ নয়, সবটুকু তার খাটি সোনা হওয়া চায়।

জ্বালিয়ে পুড়িয়ে বের কর সে সোনা, কেউ করিনি তোমাকে মানা
শোধ হোক আছে যত সব দেনা!
জ্বালা না কমাও ক্ষতি নেই তাতে
সে হিসাব গুধু তোমাতে আমাতে।

কষ্ট দেবে দাও, তোমার সৃষ্টি তুমি চালাও
যেমনি তোমার মন ভরে।
অধম সৃষ্ট আমি, কেড়ে নিলে মোর শীর্ণ অম্বর খানি
তা দিয়ে ঢেকেছিনু যা দেয় বেদনা মোরে!

কেন দিলে এত ব্যথা তুমি, তা শুধু তুমিই জানো অন্তর্যামী
ভেবনা পাছে, আমার কোন অভিযোগ আছে।
শুধু ব্যথা ঢাকার তরে, দিও একটু আবরন মোরে
প্রকাশ করো না তুমি ওদের কাছে।

তোমারি সৃষ্টি সমাজের সভ্যজন, বিচার করে তারা করে ছিদ্রান্বেষণ
যে ছিদ্র সৃষ্টি তোমার, সে দোষে কেউ যদি দোষে আমার!
ক্ষমতার জোরে যদি মোরে দাঁড় করায়, বিচারের কাঠগড়ায়
জান তুমি সারা, করিতে তারা বিচার আমার, বিচার করিছে তোমার!

তোমার সৃষ্টি তুমিই জ্বালাও, জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছায় করে দাও।
কার কি আসে যায় তাতে! সে হিসাব কেবল তোমাতে আমাতে।
আমার আকুতি শুধু এই হোক, হে বিচারকের মহা বিচারক
শক্তি দাও বাচাতে আমাকে, পচা পুঁজ ঘাটা কিটগুলো থেকে।

Category: Meaning of Life

Write a comment