জীবনের অর্থ খোজার প্রয়াসে ছন্দ কবিতা "পরগাছা স্বর্ণলতা।

আপডেট: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:১৫

পরগাছা স্বর্ণলতা

 

সোনার মত দেখতে তুমি, তবে নয়কো সোনা সেটা জানি  

চোখে দেখেই মন ভরে যায়, সেভাবেই সৃষ্টি আমরা সবাই।    

চোখ ভরলেই মন ভরে, এ তাঁরই কর্ম এ সংসারে।    

মানুষ এ ভবে অসহায় সবে, চালক তিনি কেবল চলি আমি।           

   

দর্শনেতেই চক্ষু জূড়াই, তা নিয়েই সবে করে বড়াই

দেখেই সবাই বিচার করে, গুনের বিচার হয় তা পরে।   

 

মাকাল ফলের আকর্ষণ, না পারে বাচতে কোন মন

কেবল যারা ভিতর খুজে, তারাই কেবল তার স্বরূপ বোঝে।  

 

বাকিরা সব, করে শুধু রব, যেন পাখা গজানো পিপীলিকা,  

মূর্খের দল, শুধু দেখেই পাগল, আগুনের সোনালী শিখা।      

যায় উড়ে উড়ে, লাফ দিয়ে পড়ে, একে অন্যের আগে,  

নেবে বলে যা আছে কপালে, যা পড়েছে ভাগে।       

 

পরগাছা বাচে যার উপর, শেষে রস শুষে তার করে জীবন হনন।       

বিধাতার সৃষ্টি এ প্রকৃতি, এছাড়া আর মানুষের বাঁচার, নেই কোন গতি।        

তবুও মানুষ যেন পুরো বেহুশ, মেতেছে প্রতিক্ষন করতে প্রকৃতি নিধন

করিছে প্রকৃতি ধ্বংস, যদিও সে তারই অংশ, করছে নিজের ক্ষতি।      

 

মানুষ তো পরগাছা নয়, বিধাতার এ ধরায়!    

সকাল সন্ধ্যা সাঁঝে, মানুষেরই মাঝে, সারাক্ষন সারাবেলা     

                         খেলিছে বিধাতা স্বয়ং দিয়ে প্রাণ মন, সাজিয়ে হাসি কান্নার ভেলা।                                          

আর তাঁরই সৃষ্টি প্রকৃতি, সেবিছে মানুষকে যথারীতি।   

 

স্বর্ণলতা সেত কেবলি কায়া, শুধু মায়া, পর-জীবীকা জীবন্তিকা

শুষে সব রস, করে তার জীবননাশ, সে শরণহন্তা শরণাগতা।

 

প্রকৃতির ক্ষতি হয়, করে না সে কাজ অন্য কেউ এ ধরায়   

করে তা এ বিশ্বব্যাপী কিছু মানুষ রূপী জানোয়ার।    

জেনে রাখো সবাই, মানুষ স্বর্ণলতা সম পরগাছা নয়   

সেতো সহ-স্রষ্টা, ভক্ষক নয় রক্ষক এ ধরায়।