জীবনের অর্থ খোঁজার প্রয়াসে ছন্দ কবিতা 'সমাজপতি ও বজ্রদন্ড-২'।

আপডেট: ২০ জানুয়ারী ২০২৪, ১৫:৫০

সমাজপতি ও বজ্রদন্ড-২

 

সমাজপতি, সদাশয় অতি, রক্ষা করে সমাজ,
সহজ ব্যাখ্যা, তাকে দেয়া সুরক্ষা, সমাজের কাজ।
নেতাকে যারা রক্ষা করে তারা বীর,
ধারে না ধার, তাদের নিজের ক্ষতির।

বাঁচাবে নেতাকে সবে, জানে ও মানে,
তাই বলে কেউ অপরাধী হলে, কারণে অকারণে
দেবে তারে দূরে ঠেলে, দেবে নিষ্ঠুর ভাবে ফেলে!
তা কখনো হয়, জননেতা অত নির্দয় নয়।

নেতা জীবন ভরে, নিবেদিত প্রাণ সকলের তরে,
কিছু ভুল তার হতেই পারে।
উন্নতি করতে দেশ, নেতার আদেশ,
করবে পালন সবে, জীবন মরণ নির্বিশেষ।

তাতে জীবন যদি কেউ হারায় হারাবে,
জীবন কারো চিরস্থায়ী নয় এ ভবে।
সেটা ঘটলে ঘটে, কপাল দোষেই বটে,
সে বিশ্বাস রাখতে হবে।

সমাজপতির পথ কণ্টকাকীর্ণ রবে,
তা কি করে হবে?

কর্মী যদি মরে সমাজের কাজে,
তার সাজা খাটা কি নেতার সাজে?
মানুষের কাজ করতে হলে,
নেতার পথ কুসুমাস্তীর্ণ রাখতে হবে, ছলে বলে।

নেতার সৃষ্টি দিনে দিনে, সমাজের প্রয়োজনে,
তার কাছে সমাজের শত ঋণ আছে জমে।
সমাজের থেকে, শোধ নেবে একে একে,
যত ঋণ, জমা হয়ে আছে কত দিন।

সমাজপতি রাখে সমাজের মান,
দয়ার ভরা তার প্রাণ।
বজ্রদণ্ড, আবিষ্কার তার এক অনন্য,
তার এই অবদানে সবাই ধন্য।

সমাজপতি করেছে সৃষ্টি কৌশলে,
বজ্রদন্ড কালে কালে।

নেতারা সবে, সমাজের অট্টালিকা সম এ ভবে,
তারা না বাঁচলে সবাই,
সমাজের আশ্রয় হবে কোথায়?

কে নেবে দায়, কি হবে জনতার উপায়?
নেতা ছাড়া কি করে জনতা হয়?
কে দেবে নেতৃত্ব জনতার, কে নেবে সাধারণের ভার?
তাইতো আম জনতার, নেতার দরকার।